০৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে ঢাকঢোল ও শঙ্খধ্বনিতে রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত

  • আপডেট: ০৫:১৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৮০০৫

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া রামকৃষ্ণ মিশনে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কুমারী দেবীর উদ্দেশে অঞ্জলি নিবেদনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ঢাকঢোল ও শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মিশন প্রাঙ্গণ। এ সময় পূজায় অংশ নিতে ভক্ত, পূজারি ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে।

এবার কুমারী দেবীর আসনে পূজা দেওয়া হয় সাড়ে ছয় বছর বয়সী শিশু শ্রেয়সী ভট্টাচার্যকে। সে নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকার চিকিৎসক ডা. সুমন ভট্টাচার্য ও অর্পিতা ভট্টাচার্য দম্পতির কন্যা। তার গোত্র ভরদ্বাজ।

অনুষ্ঠানে ভক্তরা অঞ্জলি নিবেদন করে দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন। কুমারী পূজা পরিচালনা করেন নারায়ণগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী একনাথানন্দ মহারাজ।

সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, নারীকে দেবী দুর্গার মাতৃরূপ হিসেবে শ্রদ্ধা করা হয়। এই বিশ্বাস থেকেই মহাঅষ্টমী তিথিতে একজন কুমারী বালিকাকে পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে দেবীর আসনে বসিয়ে মাতৃরূপে পূজা করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, নারীর মধ্যেই মহাশক্তির প্রকাশ ঘটে।

কুমারী পূজা সম্পর্কে স্বামী একনাথানন্দ মহারাজ বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ শারদীয় দুর্গোৎসবে কুমারী পূজার প্রচলন শুরু করেন। সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুসারে শিশুকন্যার মধ্যে দেবীমাতার রূপ কল্পনা করে এই পূজা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় আচার ও ভক্তির মধ্য দিয়ে এ পূজা উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে। মহাঅষ্টমীর এই বিশেষ আয়োজনে পূজা, অঞ্জলি ও দেবীবন্দনার মধ্য দিয়ে রামকৃষ্ণ মিশন প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জে ঢাকঢোল ও শঙ্খধ্বনিতে রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত

আপডেট: ০৫:১৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া রামকৃষ্ণ মিশনে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কুমারী দেবীর উদ্দেশে অঞ্জলি নিবেদনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ঢাকঢোল ও শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মিশন প্রাঙ্গণ। এ সময় পূজায় অংশ নিতে ভক্ত, পূজারি ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে।

এবার কুমারী দেবীর আসনে পূজা দেওয়া হয় সাড়ে ছয় বছর বয়সী শিশু শ্রেয়সী ভট্টাচার্যকে। সে নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকার চিকিৎসক ডা. সুমন ভট্টাচার্য ও অর্পিতা ভট্টাচার্য দম্পতির কন্যা। তার গোত্র ভরদ্বাজ।

অনুষ্ঠানে ভক্তরা অঞ্জলি নিবেদন করে দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন। কুমারী পূজা পরিচালনা করেন নারায়ণগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী একনাথানন্দ মহারাজ।

সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, নারীকে দেবী দুর্গার মাতৃরূপ হিসেবে শ্রদ্ধা করা হয়। এই বিশ্বাস থেকেই মহাঅষ্টমী তিথিতে একজন কুমারী বালিকাকে পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে দেবীর আসনে বসিয়ে মাতৃরূপে পূজা করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, নারীর মধ্যেই মহাশক্তির প্রকাশ ঘটে।

কুমারী পূজা সম্পর্কে স্বামী একনাথানন্দ মহারাজ বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ শারদীয় দুর্গোৎসবে কুমারী পূজার প্রচলন শুরু করেন। সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুসারে শিশুকন্যার মধ্যে দেবীমাতার রূপ কল্পনা করে এই পূজা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় আচার ও ভক্তির মধ্য দিয়ে এ পূজা উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে। মহাঅষ্টমীর এই বিশেষ আয়োজনে পূজা, অঞ্জলি ও দেবীবন্দনার মধ্য দিয়ে রামকৃষ্ণ মিশন প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।